বিশ্বস্ত ও নিরাপদ

ke99 — বাংলাদেশের নিজের বেটিং প্ল্যাটফর্ম

আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি বাংলাদেশি বেটারের একটা নিরাপদ, দ্রুত এবং বাংলায় সাপোর্টযোগ্য প্ল্যাটফর্ম পাওয়ার অধিকার আছে। ke99 সেই বিশ্বাস থেকেই তৈরি।

৫ লাখ+
নিবন্ধিত সদস্য
৯৮.৭%
পেআউট সাফল্যের হার
২৪/৭
বাংলা সাপোর্ট
ke99 বাংলাদেশের বেটিং প্ল্যাটফর্ম
ke99 — বাংলাদেশের সেরা বেটিং অভিজ্ঞতা
৬৪ জেলায় লক্ষাধিক বেটারের পছন্দ
আমরা কেন ke99 তৈরি করলাম

তিনটি মূল প্রতিশ্রুতি যা ke99-কে অন্যদের থেকে আলাদা করে

🎯
মিশন

বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে একটা নির্ভরযোগ্য, স্বচ্ছ এবং মজাদার বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। ke99 তৈরির পেছনে একটাই লক্ষ্য — মানুষ যেন নিশ্চিন্তে খেলতে পারেন, টাকা নিয়ে দুশ্চিন্তা না করতে হয়।

🔭
ভিশন

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। আমরা চাই প্রতিটি বেটার ke99-কে শুধু একটা অ্যাপ না ভেবে, নিজের মানুষ মনে করুক।

💎
মূল্যবোধ

স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা এবং সততা — এই তিনটি মূল্যবোধই ke99-এর ভিত্তি। আমরা কখনো প্রতিশ্রুতি ভাঙি না, কখনো ব্যবহারকারীর আস্থার সাথে আপোস করি না।


কীভাবে ke99 জন্ম নিল

বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং নিয়ে অনেক মানুষের মনে একটাই ভয় ছিল — টাকা পাঠাব, কিন্তু ফেরত পাব কি? এই প্রশ্নটাই ke99-এর জন্মের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ। ২০২১ সালে একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা মিলে ভাবলেন, এমন একটা প্ল্যাটফর্ম দরকার যেখানে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা সত্যিকারের ভরসা পাবেন। শুধু কথায় নয়, কাজে।

ke99 শুধু একটা বেটিং সাইট নয়। এটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের হাতে তৈরি একটা ডিজিটাল গেমিং অভিজ্ঞত া। প্ল্যাটফর্মটা তৈরির সময় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল তিনটি বিষয়ে — দ্রুত পেমেন্ট, বাংলা ভাষায় সাপোর্ট, এবং মোবাইলে নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা।

শুরুর দিনগুলো

২০২১ সালের শেষ দিকে ke99 প্রথম লঞ্চ হয় মাত্র কয়েক হাজার ব্যবহারকারী নিয়ে। সেই সময় প্রতিটি উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট ম্যানুয়ালি চেক করা হতো, প্রতিটি অভিযোগে সরাসরি সাড়া দেওয়া হতো। ছোট দল, কিন্তু প্রতিশ্রুতিতে কোনো আপোস ছিল না। ধীরে ধীরে মুখে মুখে ke99-এর নাম ছড়িয়ে পড়ল। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী — সারাদেশে মানুষ ke99-কে বিশ্বাস করতে শুরু করলেন।

প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ

২০২২ সালে ke99 তার প্রযুক্তি অবকাঠামোতে বড় বিনিয়োগ করে। নতুন পেমেন্ট গেটওয়ে যুক্ত হয়, লাইভ বেটিং সিস্টেম আরও দ্রুত হয়। বিকাশ, নগদ, রকেট — সব প্রধান মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সাথে সরাসরি ইন্টিগ্রেশন করা হয়। ফলে ডিপোজিট ও উইথড্রয়ালের সময় অনেক কমে আসে। ke99-এর গড় উইথড্রয়াল সময় এই পর্যায়ে দাঁড়ায় মাত্র ১.৮ ঘণ্টায়, যা ইন্ডাস্ট্রিতে এখনো অন্যতম সেরা।

বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে

ke99-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর ব্যবহারকারীরা। ঢাকার কর্পোরেট অফিসের কর্মী থেকে শুরু করে সুনামগঞ্জের চা বাগানের শ্রমিক — সবাই ke99 ব্যবহার করেন। কারণ অ্যাপটা ধীর ইন্টারনেটেও সুন্দরভাবে চলে, ইন্টারফেস সহজ, এবং বাংলায় সব কিছু বোঝা যায়। ke99 বুঝেছে যে বাংলাদেশের বাস্তবতায় একটা প্ল্যাটফর্মকে টিকে থাকতে হলে শুধু ফিচার নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাথে মিলিয়ে চলতে হবে।

দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের অগ্রাধিকার

ke99 বিশ্বাস করে যে আনন্দের বেটিং আর আসক্তির বেটিং এক জিনিস নয়। তাই প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আমাদের সাপোর্ট টিম প্রশিক্ষিত — কেউ যদি সমস্যায় পড়েন তাহলে সঠিক সাহায্য পাওয়ার ব্যবস্থা আছে। ke99-এ খেলা মানে শুধু জেতার চেষ্টা নয়, এটা একটা দায়িত্বশীল বিনোদনের অভিজ্ঞতা।

আজকের ke99

আজ ke99-এ ৫ লাখের বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। প্রতিদিন হাজার হাজার বেট হয়, লক্ষাধিক টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়। কিন্তু আমাদের কাছে সংখ্যার চেয়ে বড় হলো মানুষের বিশ্বাস। যখন কোনো ব্যবহারকারী বলেন "ke99-এ টাকা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি" — সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।

  • ২০২১ — ke99 প্রথম লঞ্চ, প্রাথমিক ব্যবহারকারী সংখ্যা ১০,০০০
  • ২০২২ — পেমেন্ট সিস্টেম আপগ্রেড, বিকাশ-নগদ-রকেট সংযুক্তি
  • ২০২৩ — লাইভ ক্যাসিনো ও ফিশিং গেম চালু, সদস্য ২ লাখ ছাড়িয়ে
  • ২০২৬ — ৫ লাখ+ সক্রিয় সদস্য, ৬৪ জেলায় বিস্তার

আমাদের মূল বৈশিষ্ট্য

যে কারণে লাখো বাংলাদেশি ke99-কে বিশ্বাস করেন

বিদ্যুৎ গতির পেমেন্ট

ke99-এ ডিপোজিট করুন মাত্র ২ মিনিটে, উইথড্রয়াল পান গড়ে ১.৮ ঘণ্টায়। বিকাশ, নগদ, রকেট সব মাধ্যমেই তাৎক্ষণিক লেনদেন সম্ভব। টাকার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার দিন শেষ।

বিকাশ নগদ রকেট
বাংলায় ২৪/৭ সাপোর্ট

যেকোনো সমস্যায় বাংলায় কথা বলুন আমাদের সাপোর্ট টিমের সাথে। লাইভ চ্যাট, ফোন বা ইমেইল — যেভাবে সুবিধা সেভাবেই যোগাযোগ করুন। রাত ৩টায়ও সাড়া পাবেন।

লাইভ চ্যাট ২৪/৭
মোবাইল ফার্স্ট ডিজাইন

ke99 অ্যাপ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে। ধীর ইন্টারনেটেও দ্রুত লোড হয়, ব্যাটারি কম খরচ করে। Android ও iOS দুটোতেই নির্বিঘ্নে চলে।

Android iOS
সর্বোচ্চ নিরাপত্তা

ke99-এ SSL এনক্রিপশন, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন এবং অ্যান্টি-ফ্রড সিস্টেম সক্রিয়। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে তথ্য শেয়ার করা হয় না।

SSL 2FA
বিশাল গেমের ভান্ডার

ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস থেকে শুরু করে লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, ফিশিং গেম — সব এক জায়গায়। প্রতিদিন নতুন ম্যাচ, নতুন অফার। একঘেয়ে লাগার কোনো সুযোগই নেই ke99-এ।

স্পোর্টস ক্যাসিনো
আকর্ষণীয় বোনাস অফার

নতুন সদস্যদের জন্য ওয়েলকাম বোনাস, পুরনো সদস্যদের জন্য লয়্যালটি রিওয়ার্ড। উৎসবের সময় বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ফ্রি স্পিন। ke99-এ সুযোগের কোনো শেষ নেই।

বোনাস ক্যাশব্যাক

যে মূল্যবোধ ke99-কে পরিচালিত করে

প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে আমাদের একটাই প্রশ্ন — এটা কি আমাদের ব্যবহারকারীর জন্য ভালো? এই প্রশ্নটাই ke99-এর সংস্কৃতির মূল ভিত্তি।

০১
স্বচ্ছতা সবার আগে
ke99-এ কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো অস্পষ্ট শর্ত নেই। সব নিয়ম-কানুন পরিষ্কার বাংলায় লেখা। আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতাই দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাসের ভিত্তি।
০২
ব্যবহারকারী প্রথমে
প্রতিটি ফিচার, প্রতিটি আপডেট ব্যবহারকারীর মতামতের ভিত্তিতে তৈরি। ke99-এর পণ্য রোডম্যাপ নির্ধারিত হয় সদস্যদের ফিডব্যাক থেকে।
০৩
দায়িত্বশীল গেমিং
আনন্দের বেটিং যেন কখনো সমস্যার কারণ না হয় — এটা নিশ্চিত করতে ke99 সব সময় সতর্ক। লিমিট সেটিং, সেলফ-এক্সক্লুশন সব ফিচার সহজলভ্য।
০৪
ক্রমাগত উন্নতি
ke99 কখনো থেমে থাকে না। প্রতি মাসে নতুন আপডেট, নতুন গেম, উন্নত সাপোর্ট — উদ্ভাবন আমাদের ডিএনএ-তে।
ke99-এর মাইলফলক
২০২১ — প্রতিষ্ঠা
ke99-এর যাত্রা শুরু
একটা ছোট দল নিয়ে ke99 প্রথম লঞ্চ হয়। প্রথম মাসেই ১০,০০০ সদস্য নিবন্ধন করেন। দ্রুত উইথড্রয়াল ও বাংলা সাপোর্টের কারণে মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে ke99-এর নাম।
২০২২ — প্রযুক্তি বিপ্লব
পেমেন্ট সিস্টেম আধুনিকায়ন
বিকাশ, নগদ, রকেটের সাথে সরাসরি API ইন্টিগ্রেশন সম্পন্ন হয়। উইথড্রয়াল সময় ৬ ঘণ্টা থেকে নেমে আসে মাত্র ১.৮ ঘণ্টায়। সদস্য সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যায়।
২০২৩ — বিস্তার
লাইভ ক্যাসিনো ও ফিশিং গেম চালু
স্পোর্টস বেটিংয়ের পাশাপাশি লাইভ ক্যাসিনো, স্লট এবং ফিশিং গেম যুক্ত হয়। সদস্য সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়ে যায়। দেশের ৬৪ জেলায় ke99-এর সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত হয়।
২০২৬ — নতুন উচ্চতা
৫ লাখ সদস্যের মাইলফলক
ke99 বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়। নতুন মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ হয়, জ্যাকপট সেকশন চালু হয়। সদস্য সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস তৈরি।
যারা ke99 তৈরি করেছেন

অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদ, গেমিং বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ-প্রেমী একটি দল

👨‍💼
রাফি আহমেদ
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

১২ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন, বাংলাদেশের ডিজিটাল গেমিং ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম পথিকৃৎ।

👩‍💻
তাসনিম হক
প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা

BUET থেকে পাশ করা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, ke99-এর পুরো টেক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের স্থপতি।

👨‍🎨
স াদিক ইসলাম
প্রধান পণ্য কর্মকর্তা

ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতার বিশেষজ্ঞ, ke99-এর সহজ ও আকর্ষণীয় ইন্টারফেসের পেছনের মানুষ।

👩‍💼
নাফিসা রহমান
গ্রাহক সেবা প্রধান

৫ বছর ধরে ke99-এর সাপোর্ট টিম পরিচালনা করছেন, লাখো ব্যবহারকারীর সমস্যা সমাধান করেছেন।

ke99 পরিবারের অংশ হয়ে যান আজই

৫ লাখ বাংলাদেশি যে প্ল্যাটফর্মকে বিশ্বাস করেন, সেই ke99-এ নিবন্ধন করুন। দ্রুত পেমেন্ট, বাংলা সাপোর্ট আর নিরাপদ গেমিং অভিজ্ঞতা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

১০০% নিরাপদ তাৎক্ষণিক নিবন্ধন ২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট ওয়েলকাম বোনাস
English