বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং নিয়ে অনেক মানুষের মনে একটাই ভয় ছিল — টাকা পাঠাব, কিন্তু ফেরত পাব কি? এই প্রশ্নটাই ke99-এর জন্মের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ। ২০২১ সালে একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা মিলে ভাবলেন, এমন একটা প্ল্যাটফর্ম দরকার যেখানে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা সত্যিকারের ভরসা পাবেন। শুধু কথায় নয়, কাজে।
ke99 শুধু একটা বেটিং সাইট নয়। এটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের হাতে তৈরি একটা ডিজিটাল গেমিং অভিজ্ঞত া। প্ল্যাটফর্মটা তৈরির সময় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল তিনটি বিষয়ে — দ্রুত পেমেন্ট, বাংলা ভাষায় সাপোর্ট, এবং মোবাইলে নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা।
শুরুর দিনগুলো
২০২১ সালের শেষ দিকে ke99 প্রথম লঞ্চ হয় মাত্র কয়েক হাজার ব্যবহারকারী নিয়ে। সেই সময় প্রতিটি উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট ম্যানুয়ালি চেক করা হতো, প্রতিটি অভিযোগে সরাসরি সাড়া দেওয়া হতো। ছোট দল, কিন্তু প্রতিশ্রুতিতে কোনো আপোস ছিল না। ধীরে ধীরে মুখে মুখে ke99-এর নাম ছড়িয়ে পড়ল। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী — সারাদেশে মানুষ ke99-কে বিশ্বাস করতে শুরু করলেন।
প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ
২০২২ সালে ke99 তার প্রযুক্তি অবকাঠামোতে বড় বিনিয়োগ করে। নতুন পেমেন্ট গেটওয়ে যুক্ত হয়, লাইভ বেটিং সিস্টেম আরও দ্রুত হয়। বিকাশ, নগদ, রকেট — সব প্রধান মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সাথে সরাসরি ইন্টিগ্রেশন করা হয়। ফলে ডিপোজিট ও উইথড্রয়ালের সময় অনেক কমে আসে। ke99-এর গড় উইথড্রয়াল সময় এই পর্যায়ে দাঁড়ায় মাত্র ১.৮ ঘণ্টায়, যা ইন্ডাস্ট্রিতে এখনো অন্যতম সেরা।
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে
ke99-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর ব্যবহারকারীরা। ঢাকার কর্পোরেট অফিসের কর্মী থেকে শুরু করে সুনামগঞ্জের চা বাগানের শ্রমিক — সবাই ke99 ব্যবহার করেন। কারণ অ্যাপটা ধীর ইন্টারনেটেও সুন্দরভাবে চলে, ইন্টারফেস সহজ, এবং বাংলায় সব কিছু বোঝা যায়। ke99 বুঝেছে যে বাংলাদেশের বাস্তবতায় একটা প্ল্যাটফর্মকে টিকে থাকতে হলে শুধু ফিচার নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাথে মিলিয়ে চলতে হবে।
দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের অগ্রাধিকার
ke99 বিশ্বাস করে যে আনন্দের বেটিং আর আসক্তির বেটিং এক জিনিস নয়। তাই প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আমাদের সাপোর্ট টিম প্রশিক্ষিত — কেউ যদি সমস্যায় পড়েন তাহলে সঠিক সাহায্য পাওয়ার ব্যবস্থা আছে। ke99-এ খেলা মানে শুধু জেতার চেষ্টা নয়, এটা একটা দায়িত্বশীল বিনোদনের অভিজ্ঞতা।
আজকের ke99
আজ ke99-এ ৫ লাখের বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। প্রতিদিন হাজার হাজার বেট হয়, লক্ষাধিক টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়। কিন্তু আমাদের কাছে সংখ্যার চেয়ে বড় হলো মানুষের বিশ্বাস। যখন কোনো ব্যবহারকারী বলেন "ke99-এ টাকা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি" — সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
- ২০২১ — ke99 প্রথম লঞ্চ, প্রাথমিক ব্যবহারকারী সংখ্যা ১০,০০০
- ২০২২ — পেমেন্ট সিস্টেম আপগ্রেড, বিকাশ-নগদ-রকেট সংযুক্তি
- ২০২৩ — লাইভ ক্যাসিনো ও ফিশিং গেম চালু, সদস্য ২ লাখ ছাড়িয়ে
- ২০২৬ — ৫ লাখ+ সক্রিয় সদস্য, ৬৪ জেলায় বিস্তার